আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) অনুসারে এই বছর সবচেয়ে খারাপ
পারফরম্যান্সকারী অর্থনীতির একটি হবে যুক্তরাজ্য
আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল সতর্ক করেছে যে, সামনে সারা বিশ্ব কঠিন আর্থিক অবস্থার প্রেক্ষাপটে এই বছর যুক্তরাজ্যের অর্থনীতি সংকুচিত হবে এবং ২০২৩ সালে দেশটিরঅর্থনীতির কর্মক্ষমতা ‘জি ২০’ নামের বৃহত্তম অর্থনীতির মধ্যে সবচেয়ে খারাপ হবে।
বিশেষত গত মাসে দুটি মার্কিন ব্যাংকের পতন, প্রতিদ্বন্দ্বী ইউবিএস দ্বারা সুইস ব্যাংকিং জায়ান্ট ক্রেডিট সুইসের দ্রুত অধিগ্রহণ ইত্যাদি কারনে এই দেশটি আরেকটি আর্থিক সংকটের সম্মুখীন হবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
আইএমএফ ইতিমধ্যেই পূর্বাভাস দিয়েছিল যে, যুক্তরাজ্য এই বছর বিশ্বের সাতটি বৃহত্তম তথাকথিত “উন্নত” অর্থনীতির একটি গ্রূপ ‘জি ৭’ এর সর্বনিম্নে অবস্থান করবে। অথচ ২০২২ সালে মহামারী পরবর্তী অর্থনীতি পুনরুদ্ধার এর সময় যুক্তরাজ্যর অবস্থান ছিল শীর্ষে । সংস্থাটির গবেষকরা ব্রিটেনের গ্যাসের উর্দ্ধমুখী দাম, ক্রমবর্ধমান সুদের হার এবং মন্থর বাণিজ্য পারফরম্যান্সকে দুর্বল অর্থনৈতিক কর্মক্ষমতার কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। এর ফলে প্রায় ৪০ বছরের মধ্যে যুক্তরাজ্যে মুদ্রাস্ফীতি সর্বোচ্চ পর্যায়ে রয়েছে।
তবে তারা এও আশা করছেনা যে ২০২৩ সালে যুক্তরাজ্যের অর্থনীতি 0.৩% সংকুচিত হলেও এবং আগামী বছর ১% বৃদ্ধি পাবে এবং পাঁচ বছরের মধ্যে ৩% এ স্থিতিশীল হবে।
এই ভবিষ্যদ্বাণীর জবাবে চ্যান্সেলর জেরেমি হান্ট বলেছেন: “আমাদের আইএমএফ -এর প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস অন্য যে কোনো ‘জি৭’ দেশের চেয়ে বেশি আপগ্রেড করেছে৷” ব্যাংক অফ ইংল্যান্ডের গভর্নর এন্ড্রো বেইলি সম্প্রতি বলেছিলেন যে তিনি অর্থনীতির ব্যাপারে “অনেক বেশি আশাবাদী” এবং এটি আর তাৎক্ষণিক মন্দার দিকে যাচ্ছে না। তবে লেবার পার্টির ছায়া চ্যান্সেলর রাচেল রিভস বলেছেন ” আইএমএফ এর অনুমান থেকে সহজেই প্রতীয়মান হয় যে আমরা বিশ্বব্যাপী মঞ্চে কতটা পিছিয়ে আছি”।
যাইহোক, একটি ব্লগে আইএমএফ বলেছে যে ” সুদের হারের সাম্প্রতিক বৃদ্ধি অস্থায়ী হতে পারে”।।
এস. এ.
১১ এপ্রিল, ২০২৩
